
নিজস্ব প্রতিবেদন :
একজন ইমামের নাবালিকা মেয়ে তার নিজের ভিডিও বার্তায় স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে তিনি ভুক্তভোগী। তার বয়স এখনও বিয়ের উপযুক্ত হয়নি, তবু তাকে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার চোখে-মুখে অসহায়তা আর কণ্ঠে কান্না মিশে আছে। অথচ কিছু মিডিয়া এই সত্যকে ইচ্ছাকৃতভাবে উপেক্ষা করে, ঘটনাকে পুরোপুরি অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিয়ে নাবালিকা মেয়েটিকে আরও বেশি করে অপমান ও শোষণের শিকার বানানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সাদা-হলুদ হিজাব পরা এই মেয়েটি ফেসবুকে পোস্ট করা ভিডিওতে নিজের অবস্থা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, তার বক্তব্য ও সব প্রমাণ সত্ত্বেও কিছু মিডিয়া তাকে “প্রেমের বিয়ে” বা অন্যান্য গল্প বানিয়ে উপস্থাপন করছে। এই মিডিয়াগুলোর কাছে নাবালিকার অধিকার, তার কান্না বা ভবিষ্যৎ কোনো গুরুত্বই পাচ্ছে না। তারা শুধু সেনসেশনাল খবর বানিয়ে ভিউ আর ট্রাফিকের জন্য মেয়েটির জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। এই ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে। অনেকে বলছেন, “একজন নাবালিকা মেয়ের কান্না আর তার স্পষ্ট বক্তব্যকে অস্বীকার করে মিডিয়া যেভাবে ঘটনা বিকৃত করছে, তা অত্যন্ত ঘৃণ্য ও নৈতিকতাহীন।” কিছু মিডিয়া মেয়েটির শিশুকালের ছবি বা পুরনো তথ্য ব্যবহার করে বয়স নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, যাতে সত্যটা চাপা পড়ে যায়। মেয়েটির ছবিতে তার চোখে ভয় ও অসহায়তার ছাপ স্পষ্ট। ছোট মাইক্রোফোন লাগিয়ে রেকর্ড করা ভিডিওতে তার কণ্ঠে যে প্রতিবাদ ও কান্না, তা যেকোনো সংবেদনশীল মানুষের হৃদয় স্পর্শ করে। অথচ কিছু মিডিয়া এই কান্নাকে “নাটক” বলে উড়িয়ে দিয়ে নাবালিকাকে আরও অপমান করছে। এই ধরনের মিডিয়া সাংবাদিকতা সমাজের জন্য ক্ষতিকর। নাবালিকা শিশু-কিশোরীদের সুরক্ষা ও তাদের কথা বলার অধিকারকে যারা পায়ে দলে, তাদের এই ঘৃণ্য ভূমিকা কখনোই মেনে নেওয়া উচিত নয়। আমরা মেয়েটির পক্ষে দাঁড়িয়ে বলতে চাই – তার বক্তব্যকে সম্মান করুন, তার প্রমাণগুলোকে গুরুত্ব দিন এবং সত্যকে বিকৃত করা বন্ধ করুন। নাবালিকাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা খেলা করে, তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। বিশেষ করে মিডিয়ার যারা সত্যকে চাপা দিয়ে ঘৃণ্য অপপ্রচার চালাচ্ছে, তাদের এই ভূমিকা সমাজের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ।