
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গতকাল রাতে এ বছরের হজ ফ্লাইট কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত ১১টা ৩০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন।
মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বর্ধিত ফ্লাইট শিডিউল ও বিমান ভাড়া কমানোসহ সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পরই হজ ফ্লাইট শুরু হয়েছে।
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ হজ যাত্রী পাঠানো দেশ হিসেবে বাংলাদেশ থেকে এ বছর প্রায় ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রী সৌদি আরব যাবেন। তাদের মধ্যে ৪ হাজার ৫৬৫ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন বেসরকারি অ্যাজেন্সির মাধ্যমে হজ পালন করবেন।
মোট হজযাত্রীর প্রায় ৫০ শতাংশ বহন করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। বাকি হজযাত্রীদের বহন করবে সাউদিয়া এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ থেকে এ বছরের প্রথম হজ ফ্লাইটটি ১৮ এপ্রিল রাত ১২টা ২০ মিনিটে যাত্রা করেছে। ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের জেদ্দার বাদশাহ আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে।
প্রথম দিনে মোট ১৪টি ফ্লাইট পরিচালনার কথা রয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৬টি, সাউদিয়ার ৩টি এবং ফ্লাইনাসের ৩টি ফ্লাইট ।
আগামী ২১ মে হজ পূর্ব ফ্লাইট শেষ হবে। এ বছর মোট ২০৭টি হজ পূর্ব ফ্লাইট নির্ধারিত রয়েছে। যার মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১০২টি, সাউদিয়া ৭৫টি এবং ফ্লাইনাস ৩০টি ফ্লাইট পরিচালনা করবে।
চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী ৩০ মে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে, এটি চলবে ১ জুলাই পর্যন্ত।