নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন সানারপাড় এলাকায়
১০৫শতাংশ ক্রয়কৃত জমি দীর্ঘদিন যাবত আওয়ামীলীগের প্রভাব দেখিয়ে জাল দলিল তৈরি করে জোর পূর্বক দখল করার অভিযোগ উঠেছে হেলাল বাহিনির বিরুদ্ধে।
জমির প্রকৃত মালিক লিয়াকত আলি জানান খর্দঘোষপাড়া মৌজায় ১১৭খতিয়ান ১৮৪ সিএস এস, আর এস ৪৭৪, এবং সিএস এসএ ৪০৪ আর এস ৪৭৫ দাগে রেকডিও মালিকরা ১৯৬৮ইং সালে দুই দলিলে বিক্রি করেন।
যার দলিল নং ১১৩০৭/ তারিখ ১১/০৭/১৯৬৮ইং আরেক দলিল নং ১২৫৮৯/ তারিখ ০৫/০৮/১৯৬৮ইং ৮জন রেকডিও মালিক থেকে সাত্তার কামাল খরিদ করেন। পরবর্তীতে ০১/০৮/১৯৭৩ইং সনে এই ১০৫শতাংশ জমি লিয়াকত আলির কাছে সাত্তার কামাল বিক্রয় করেন।
জমিগুলো খালি পরে থাকায় এবং ভুক্তভোগী চাকরি সুবাদে সময় না দিতে পারায় উক্ত এলাকার চিহ্নিত ভূমিদস্যু
মোঃ হেলাল পিতা মৃত জবেদ আলি
সাং নিতাইপুর, মাহমুদপুর ফতুল্লা। মহসিন আক্তার হ্যাপী
পিতা মৃত আঃ রহিম মিয়া পাইনাদি। মোঃ নরুল ইসলাম পিতা মৃত সামসুল হক
মিজমিজি পাইনাদী সিদ্ধিরগঞ্জ।
মোঃ ফখরুল ইসলাম মজুমদার পিতা মফিজ উদ্দিন মজুমদার কুতুবখালী ডেমরা।
আর aহেলাল, নুরুল ইসলাম, মেজবাহ ইসলাম আরিফ, মজিবুর, মহসিন আক্তার হ্যাপী গং এই চক্রগুলো জাল দলিল তৈরি করে এবং আওয়ামী লীগের প্রভাব দেখিয়ে নিজেদের আওয়ামী লীগের বড় নেতা পরিচয়ে জমি গুলো সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে দখল করে।
এবং তাকে হয়রানি করতে একাধিক মিথ্যা মামলা ও প্রদান করেন। ভুক্তভোগী লিয়াকত আলি নারায়ণগঞ্জ আদালতে জাল দলিলের মামলা দায়ের করেন এবং খারিজ বাতিলের জন্য মিসকেস করেন যা এখনো চলমান রয়েছে।
এই সকল ভূমিদস্যদের হাত থেকে রক্ষা পেতে আসামীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী জানান ভুক্তভোগী লিয়াকত আলি।
সিদ্ধিরগঞ্জে জাল দলিল করে জমি দখল নিতে ফের ব্যাপরোয়া হেলাল বাহিনি
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি :-
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন সানারপাড় এলাকায়
১০৫শতাংশ ক্রয়কৃত জমি দীর্ঘদিন যাবত আওয়ামীলীগের প্রভাব দেখিয়ে জাল দলিল তৈরি করে জোর পূর্বক দখল করার অভিযোগ উঠেছে হেলাল বাহিনির বিরুদ্ধে।
জমির প্রকৃত মালিক লিয়াকত আলি জানান খর্দঘোষপাড়া মৌজায় ১১৭খতিয়ান ১৮৪ সিএস এস, আর এস ৪৭৪, এবং সিএস এসএ ৪০৪ আর এস ৪৭৫ দাগে রেকডিও মালিকরা ১৯৬৮ইং সালে দুই দলিলে বিক্রি করেন।
যার দলিল নং ১১৩০৭/ তারিখ ১১/০৭/১৯৬৮ইং আরেক দলিল নং ১২৫৮৯/ তারিখ ০৫/০৮/১৯৬৮ইং ৮জন রেকডিও মালিক থেকে সাত্তার কামাল খরিদ করেন। পরবর্তীতে ০১/০৮/১৯৭৩ইং সনে এই ১০৫শতাংশ জমি লিয়াকত আলির কাছে সাত্তার কামাল বিক্রয় করেন।
জমিগুলো খালি পরে থাকায় এবং ভুক্তভোগী চাকরি সুবাদে সময় না দিতে পারায় উক্ত এলাকার চিহ্নিত ভূমিদস্যু
মোঃ হেলাল পিতা মৃত জবেদ আলি
সাং নিতাইপুর, মাহমুদপুর ফতুল্লা। মহসিন আক্তার হ্যাপী
পিতা মৃত আঃ রহিম মিয়া পাইনাদি। মোঃ নরুল ইসলাম পিতা মৃত সামসুল হক
মিজমিজি পাইনাদী সিদ্ধিরগঞ্জ।
মোঃ ফখরুল ইসলাম মজুমদার পিতা মফিজ উদ্দিন মজুমদার কুতুবখালী ডেমরা।
আর aহেলাল, নুরুল ইসলাম, মেজবাহ ইসলাম আরিফ, মজিবুর, মহসিন আক্তার হ্যাপী গং এই চক্রগুলো জাল দলিল তৈরি করে এবং আওয়ামী লীগের প্রভাব দেখিয়ে নিজেদের আওয়ামী লীগের বড় নেতা পরিচয়ে জমি গুলো সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে দখল করে।
এবং তাকে হয়রানি করতে একাধিক মিথ্যা মামলা ও প্রদান করেন। ভুক্তভোগী লিয়াকত আলি নারায়ণগঞ্জ আদালতে জাল দলিলের মামলা দায়ের করেন এবং খারিজ বাতিলের জন্য মিসকেস করেন যা এখনো চলমান রয়েছে।
এই সকল ভূমিদস্যদের হাত থেকে রক্ষা পেতে আসামীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী জানান ভুক্তভোগী লিয়াকত আলি।