সোনারগাঁ প্রতিনিধি, নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার পিরোজপুর ইউনিয়নের মঙ্গলের গাও গ্রামে পরকীয়ার জেরে ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়েছে বড় ভাই। এ ঘটনা নিয়ে গত দুই দিন ধরে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।
সোনারগাঁ থানার পিরোজপুর ইউনিয়নের মঙ্গলের গাঁও গ্রামের ভাষানিয়ার ছেলে মতি তার আপন ছোট ভাই ইয়াসিনের স্ত্রী সুমি আক্তারকে নিয়ে পালিয়েছেন। এবিষয়ে সোনারগাঁও থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন ছোট ভাই ইয়াসিন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১২ বছর পূর্বে সোনারগাঁও থানার আনন্দবাজার এলাকার সুমি আক্তারের বিয়ে হয়।মঙ্গলেরগাঁও এলাকার বাসা ভাষাননিয়ার ছেলে ইয়াসিন হাফছা ১০ সামিয়া ৭ দম্পত্তির দুটি কন্যাসন্তানও রয়েছে।
স্ত্রী-সন্তানের ভবিষ্যৎ জীবনের কথা চিন্তা করে অর্থ উপার্জন করার জন্য ১০ বছর আগে ইয়াসিন পাড়ি জমান বিদেশে কিছুদিন যেতে না যেতেই শুরু হয় মতি ও সুমির পরকীয়া প্রেমলীলা। এলাকায় বিষয়টি জানাজানি হলে মতি তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে নিয়ে উধাও হয়ে যায়।
অভিযুক্ত মতি ও সুমি এখন পলাতন রয়েছেন বলে জানান এলাকাবাসী
পিরোজপুর ইউনিয়নের মঙ্গলের গাও এলাকার বাসিন্দারা জানান মতি ও সুমি যে কাজটি করেছে সেটা খুবই জঘন্য। তাদের এই কুকীর্তি এলাকার সবাই জেনে ফেলায় তারা এখন গ্রাম থেকে দুরে গিয়ে বসবাস করছেন। শুনেছি সুমি নামের ওই মহিলা তার স্বামী ইয়াসিনকে ডিভোর্সও দেয়নি। উল্টো ইয়াসিনের নামে মিথ্যা একটি মামলা দেওয়ার কথা শুনেছি
এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন এর আগেও এই লম্পট মতি আর আপন বড় ভাইয়ের বউকে টাকা পয়সা আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে ফুষলিয়ে বিয়ে করেন পরে টাকা পয়সা আত্মসাৎ করে এখন ছোট ভাইয়ের বউয়ের দিকে তীর ছুড়ে বড় ভাইয়ের বউকে ডিভোর্স না দিয়েই এখন নতুন করে আবারো ছোট ভাইয়ের বউকে বাগিয়ে নিয়ে যান।
এদিকে অভিযুক্ত মতির স্ত্রী বলেন, আমার স্বামী একটা প্রতারক সে আমার সংসার থাকাকালীন তারই ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়েছে।এর আগে আমাকে সে বিয়ে করেন কিন্তু কোন ডিভোর্স হয়নি এই প্রতারকের শাস্তি দাবী করেন তিনি।
সে তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক করেন । আমি প্রতিবাদ করায় আমাকে মেরে ফেলারও হুমকি দেয়।
একাধিক মেয়ের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কও ছিল, প্রতিবাদ করলে আমাকে মারধর করত।
ভুক্তভোগী প্রবাসী ইয়াসিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন আমি দীর্ঘ ১০ বছর ধরে সৌদি আর থেকে
স্ত্রী সন্তানের মুখে হাসি ফোটাতে কষ্টের জীবন কাটিয়েছি সেই স্ত্রীই মেয়েকে ফেলে আমার বড় ভাই মতির সঙ্গে পরকীয়া করে টাকাপয়সা, স্বর্ণ-গহনা নিয়ে পালিয়েছে। তার একটুও বুক কাঁপলো না। কতটা জঘন্য হলে একটা ভাই এমন কাজ করতে পারে। ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে গণমাধ্যম কর্মীরা ভিকটিম ইয়াসিনের বাড়িতে গিয়ে ভিক্টিম ইয়াসিনের স্ত্রীকে পাওয়া যায়নি ভিক্টিম ইয়াসিনের মা লোক লজ্জার ভয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য সাংবাদিকদের ইয়াসিনকে কোন তথ্য দিতে বারণ করেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত মতি মোবাইলে গণমাধ্যম কে বলেন এ বিষয়ে আমি কিছু জানিনা তারা স্বামী স্ত্রী ঝগড়া করে তার বউ কোথায় গেছে আমি কিভাবে বলবো আমি তো বাড়িতেই আছি তখন এ বিষয়ের সকল কথা অস্বীকার করেন তিনি আরো বলেন আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপ প্রচার করা হচ্ছে।।
একাধিক এলাকাবাসী জানান জঘন্যতম কাজ করেছে। ওদের সামাজিক ও আইনিভাবে বিচার হওয়া উচিত। বিষয়টি সামাজিকভাবে বসে রফাদফার চেষ্টা করা হচেছ বলে জানান এলাকাবাসী।