সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে একদল প্রতারক কখনও ডিবি পরিচয়ে, কখনও পত্রিকার সাংবাদিক দাবী করে,কখনও দুদকের অফিসার সেজে চাঁদাবাজিতে বেপরোয়া হয়ে পড়েছে। কখনও ব্যবসায়ী বা সমাজের প্রভাবশালী শিক্ষিত ব্যক্তিদের ব্ল্যাকমেইল করে টাকা আদায় করার চেষ্টা করে, কখনো নারী দিয়ে ফাঁসিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা করে।
তাদের হাত থেকে রেহাই পেতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতাচক্রটিকে আইনের রাত আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দাবী জানিয়েছেন নেটিজেনরা।
ভুক্তভোগী ব্যক্তি জানান, দীর্ঘ দিন ধরেই এ প্রতারক চক্রের প্রধান জান্নাত জাহা ও তার ভাই জীবনসহ ৫/৭ জনের একটি সক্রিয় দল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ডিবি পুলিশের পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি ও কখনো পত্রিকার সাংবাদিক দাবী করে নানা ধরনের অপকর্ম করে আসছে।
ইতোমধ্যেই তাদের অপকর্মের অভিযোগ এনে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। তবে গত ৫ আগষ্টের পর থেকে এ প্রতারক চক্রটি পুরো উপজেলায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তাদের অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে।তাদের অন্যতম মূল হোতা ভান্ডারী টিন দেলোয়ার ও কথিত আইনজীবী ও সাংবাদিক দাবী করা ব্যাটারি মুক্তাদির ছত্রছায়াস এ ধরনের ঘৃণিত কাজ করে থাকে।
গত কয়েকদিন আগে মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় প্রতার মুক্তাদিরকে উত্তম মধ্যম দেওয়া হয় চক্রান্তের মাধ্যমে ভালো মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার করার কারণে।
এ বিষয়ে সোনারগাঁয়ের স্থানীয় সপনামধন্য পত্রিকার মূল ধরার সাংবাদিকরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, এই প্রতারক চক্রের কেউ সোনারগাঁয়ের স্থানীয় বাসিন্দা না। তারা এখানে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকে।আর নানা অপকর্ম করে বেড়ায়, তাদের অত্যাচারে অতিষ্ট পুরো সোনারগাঁবাসী। একাধিকবার তাদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার হলেও অদৃশ্য শক্তির বলে থাকে ধরা-ছোয়ার বাহিরে। কেনো প্রশাসন তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে সাংবাদিকরা। তারা বলেন, অতিদ্রুত এ উচ্ছৃঙ্খল ও প্রতারক চক্রকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।অন্যথায় স্থানীয় সাংবাদিকরা কঠিন আন্দোলনে যাবে।
গত কয়দিন আগে পৌরসভার ষোলপাড়া এলাকায় এই চক্রটি জমির মালিকের কাছ থেকে চাঁদাদাবি করলে গণধোলাই এর শিকার হয়।
এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মফিজুর রহমান বলেন, প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সোনারগাঁয়ে ভুয়া সাংবাদিক, প্রতারক, চাঁদাবাজে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী
সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে একদল প্রতারক কখনও ডিবি পরিচয়ে, কখনও পত্রিকার সাংবাদিক দাবী করে,কখনও দুদকের অফিসার সেজে চাঁদাবাজিতে বেপরোয়া হয়ে পড়েছে। কখনও ব্যবসায়ী বা সমাজের প্রভাবশালী শিক্ষিত ব্যক্তিদের ব্ল্যাকমেইল করে টাকা আদায় করার চেষ্টা করে, কখনো নারী দিয়ে ফাঁসিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা করে।
তাদের হাত থেকে রেহাই পেতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতাচক্রটিকে আইনের রাত আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দাবী জানিয়েছেন নেটিজেনরা।
ভুক্তভোগী ব্যক্তি জানান, দীর্ঘ দিন ধরেই এ প্রতারক চক্রের প্রধান জান্নাত জাহা ও তার ভাই জীবনসহ ৫/৭ জনের একটি সক্রিয় দল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ডিবি পুলিশের পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি ও কখনো পত্রিকার সাংবাদিক দাবী করে নানা ধরনের অপকর্ম করে আসছে।
ইতোমধ্যেই তাদের অপকর্মের অভিযোগ এনে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। তবে গত ৫ আগষ্টের পর থেকে এ প্রতারক চক্রটি পুরো উপজেলায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তাদের অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে।তাদের অন্যতম মূল হোতা ভান্ডারী টিন দেলোয়ার ও কথিত আইনজীবী ও সাংবাদিক দাবী করা ব্যাটারি মুক্তাদির ছত্রছায়াস এ ধরনের ঘৃণিত কাজ করে থাকে।
গত কয়েকদিন আগে মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় প্রতার মুক্তাদিরকে উত্তম মধ্যম দেওয়া হয় চক্রান্তের মাধ্যমে ভালো মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার করার কারণে।
এ বিষয়ে সোনারগাঁয়ের স্থানীয় সপনামধন্য পত্রিকার মূল ধরার সাংবাদিকরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, এই প্রতারক চক্রের কেউ সোনারগাঁয়ের স্থানীয় বাসিন্দা না। তারা এখানে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকে।আর নানা অপকর্ম করে বেড়ায়, তাদের অত্যাচারে অতিষ্ট পুরো সোনারগাঁবাসী। একাধিকবার তাদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার হলেও অদৃশ্য শক্তির বলে থাকে ধরা-ছোয়ার বাহিরে। কেনো প্রশাসন তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে সাংবাদিকরা। তারা বলেন, অতিদ্রুত এ উচ্ছৃঙ্খল ও প্রতারক চক্রকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।অন্যথায় স্থানীয় সাংবাদিকরা কঠিন আন্দোলনে যাবে।
গত কয়দিন আগে পৌরসভার ষোলপাড়া এলাকায় এই চক্রটি জমির মালিকের কাছ থেকে চাঁদাদাবি করলে গণধোলাই এর শিকার হয়।
এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মফিজুর রহমান বলেন, প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।