1. admin@pratidinernarayanganj.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিদ্ধিরগঞ্জে চোরাই জেট ফুয়েলসহ আ’লীগ নেতার ট্যাংকার জব্দ হলেও মূল হোতারা অধরা সোনারগাঁয়ে জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত, যুব ঋণের চেক ও পুরস্কার বিতরণ নতুন কুঁড়ি সৃজন ২: ধামগড় ইউনিয়নে শেখ জামাল উচ্চ বিদ্যালয় ও কামতাল হালুয়াপাড়া প্রাথমিকে বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত সোনারগাঁয়ের একমাত্র সরকারি কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয় নতুন কুঁড়ি সৃজন ২: ধামগড় ইউনিয়নে শেখ জামাল উচ্চ বিদ্যালয় ও কামতাল হালুয়াপাড়া প্রাথমিকে বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত বিশ্ব স্ট্রোক দিবস আজ: প্রতিটি মিনিট গুরুত্বপূর্ণ, দ্রুত চিকিৎসায় বাঁচতে পারে জীবন লগি-বৈঠার নির্যাতন ও হত্যার বিচারের দাবিতে মদনপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ সোনারগাঁয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ঘুমন্ত কিশোরীর গায়ে গরম পানি নিক্ষেপ করে হত্যাচেষ্টা ধামগড়ের মহজমপুর একতা যুবসংঙ্গ উদ্যোগে লক্ষীপূজা প্রধান অতিথি মোমেন ভূঁইয়া সভাপতি শফিকুল ইসলাম জমকালো আয়োজনে সোনারগাঁয়ে দৈনিক কালবেলার ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত ​

​সোনারগাঁয়ের সজল সিন্ডিকেটের হাতে চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতি হওয়া স্বর্ণের পাহাড়

প্রতিদিনের নারায়নগঞ্জ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭৪ বার পঠিত

প্রতিদিনের নারায়ণগঞ্জ ডেস্ক 

​নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নে চোরাই স্বর্ণের রমরমা ব্যবসা ও রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছ হওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। ইউনিয়নের শেখকান্দী গ্রামের সালাউদ্দিনের ছেলে সজল হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতি হওয়া স্বর্ণ নামমাত্র মূল্যে ক্রয় করে অবৈধভাবে বিত্তবৈভবের মালিক হয়েছেন।

​যেভাবে উত্থান ‘চোরাই সজলের’ ​এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, সজলের পারিবারিক অবস্থা একসময় অত্যন্ত শোচনীয় ছিল। তার বাবা সালাউদ্দিন কাঁচপুরে পাথর টানার কাজ করতেন এবং অভাবের তাড়নায় ভিটেমাটি ছাড়া সব জমি বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছিলেন। সজলের বড় ভাই উজ্জ্বল টেক্সটাইল মিলের শ্রমিক ছিলেন এবং সজল নিজে একসময় গার্মেন্টসে ও পরবর্তীতে আবাসিক হোটেলে কাজ করতেন। ​তবে স্বর্ণের কাজ শেখার পর যেন ‘আলাদিনের চেরাগ’ পান সজল। নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ধন্দিবাজারে তার একটি সজল স্বর্ন শিল্পালয় নামে স্বর্ণের দোকান রয়েছে, যা মূলত চোরাই স্বর্ণ কেনাবেচার নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হয়েছে। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে তিনি এলাকার অন্যতম শীর্ষ ধনী। দুই ভাইকে বিদেশে পাঠানো, বিশাল গরুর ফার্ম এবং বিপুল পরিমাণ জমি কেনাসহ সজল বর্তমানে শেখকান্দি গ্রামের সবচেয়ে আলিশান জীবনযাপনকারী ব্যক্তি।

​অভিযোগ উঠেছে, সজলের এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের প্রধান রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করেন স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি আরমান মিয়া: শেখকান্দি গ্রামের ইসমাইলের ছেলে। যার বিরুদ্ধে রয়েছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিনটি হত্যা মামলা। যে কিনা আওয়ামী লীগের শাসনামলে জাতীয় পার্টির স্বেচ্ছাসেবক পার্টি করতেন। এখন স্থানীয় এক যুবদল নেতার হাত ধরে বিএনপির রাজনীতি করেন। তারপরও এই আরমান চোরাই স্বর্ণ ব্যবসায়ী সজলকে শেল্টার দিয়ে এলাকায় দাঁবড়িয়ে বেড়াচ্ছে। ​এই আরমানের প্রভাবেই সজল নির্ভয়ে অপরাধমূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে স্থানীয়দের দাবি।

​সাম্প্রতিক ঘটনা ও জনরোষ ​সম্প্রতি একটি চোরাই স্বর্ণের আংটি ক্রয় করে সজল পুলিশের নজরে আসেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর থেকে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গ্রামবাসীর মুখে প্রচলিত আছে “চোরের দশ দিন তো গৃহস্থের একদিন।” দীর্ঘদিনের গোপন অপরাধ এখন জনসম্মুখে আসায় এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ।

​শেখকান্দি গ্রামের সাধারণ মানুষের দাবি, সজলের এই অবৈধ স্বর্ণের ব্যবসার উৎস এবং তার নেপথ্যে থাকা আরমান মিয়ার বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করা হোক। দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে এই অপরাধী চক্রকে শাস্তির আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সজলের সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে ০১৮২৯৮৩১৫৮৪ উক্ত নাম্বার থেকে
যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন কলটি রিসিভ করেনি।

এ বিষয়ে সজলের শেল্টার দাতা আরামানের সাথে মুঠোফোনে ০১৮৭২৬৭ ৩২২৮ উক্ত নাম্বার থেকে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলো সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি।

সোনারগাঁ থানার ওসি মহিববুল্লাহ জানান,আপনি তথ্য পাঠান আমাকে আমি যাচাই বাছাই করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর