
বন্দর প্রতিনিধি :
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মুসাপুর ইউনিয়নের ৩নং পিচকামতাল নন্দীবাড়ি এলাকায় আলীনূর হোসেন নামে এক ব্যক্তির ওপর কথিত হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মেম্বার পদপ্রার্থী মোঃ পাখি মিয়ার বিরুদ্ধে সাংবাদিককে হুমকি দেওয়ার যে মনগড়া ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী মো. পাখি মিয়া ও স্থানীয় এলাকাবাসী।
এক বিবৃতিতে মো. পাখি মিয়া জানান, প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক। মুছাপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে তার দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়া জনপ্রিয়তা এবং সামাজিক গ্রহণযোগ্যতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি কায়েমী স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টায় মেতে উঠেছে।
পাখি মিয়া স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেন যে, কথিত আলীনূরের ওপর হামলার ঘটনার সাথে তার বা তার সমর্থক-স্বজনদের কোনো দূরতম সম্পৃক্ততা নেই। থানায় করা অভিযোগে যেসব ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের সাথে কোনো ধরনের হুকুম বা যোগাযোগের প্রমাণ ছাড়াই সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তার নাম জড়িয়ে এই মিথ্যা নাটক সাজানো হয়েছে।
সাংবাদিক জিহাদ হোসেনকে ফোনে হুমকি দেওয়ার অভিযোগটি ভিত্তিহীন ও সাজানো দাবি করে পাখি মিয়া বলেন, “আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার। সাংবাদিক ভাইদের সাথে আমার সবসময় সুসম্পর্ক রয়েছে। কাউকে কোনো প্রকার হুমকি বা অশালীন বক্তব্য দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। আমার ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে আসন্ন নির্বাচনে ফায়দা লুটতেই প্রতিপক্ষ গোষ্ঠী মনগড়া এই ফোনালাপের গল্প বানিয়ে সংবাদমাধ্যমে ভুল তথ্য সরবরাহ করেছে।”
তিনি উক্ত মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদের তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেন এবং সাংবাদিক ভাইদেরকে কোনো একপাক্ষিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সংবাদ পরিবেশন না করে নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের মাধ্যমে সত্য ঘটনা তুলে ধরার বিনীত অনুরোধ জানান। একই সাথে এলাকার জনগণকে এ ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।