1. admin@pratidinernarayanganj.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সোনারগাঁয়ে জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত, যুব ঋণের চেক ও পুরস্কার বিতরণ নতুন কুঁড়ি সৃজন ২: ধামগড় ইউনিয়নে শেখ জামাল উচ্চ বিদ্যালয় ও কামতাল হালুয়াপাড়া প্রাথমিকে বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত সোনারগাঁয়ের একমাত্র সরকারি কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয় নতুন কুঁড়ি সৃজন ২: ধামগড় ইউনিয়নে শেখ জামাল উচ্চ বিদ্যালয় ও কামতাল হালুয়াপাড়া প্রাথমিকে বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত বিশ্ব স্ট্রোক দিবস আজ: প্রতিটি মিনিট গুরুত্বপূর্ণ, দ্রুত চিকিৎসায় বাঁচতে পারে জীবন লগি-বৈঠার নির্যাতন ও হত্যার বিচারের দাবিতে মদনপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ সোনারগাঁয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ঘুমন্ত কিশোরীর গায়ে গরম পানি নিক্ষেপ করে হত্যাচেষ্টা ধামগড়ের মহজমপুর একতা যুবসংঙ্গ উদ্যোগে লক্ষীপূজা প্রধান অতিথি মোমেন ভূঁইয়া সভাপতি শফিকুল ইসলাম জমকালো আয়োজনে সোনারগাঁয়ে দৈনিক কালবেলার ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত ​ রাইজদিয়া ঈদগাহ ও কবরস্থানের পাশে ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের প্রতিবাদে মানববন্ধন

মালি ভিটা ঈদগাহের গাইডওয়াল নির্মাণে সরকারি অনুদানের টাকা হরি লুট

প্রতিদিনের নারায়নগঞ্জ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২০৫ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জ :

নারায়ণগঞ্জের ধামগড় ইউনিয়নের মালি ভিটা ঈদগাহের গাইডওয়াল নির্মাণে সরকারি বরাদ্দের টাকা ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি অনুদান হিসেবে চার লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও প্রকল্পের পুরো অর্থ ব্যয় ও কাজের বাস্তবায়ন নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

তথ্যসূত্রে জানা যায়, গাইডওয়াল নির্মাণের জন্য বরাদ্দকৃত চার লাখ টাকার মধ্যে তৎকালীন চেয়ারম্যান কামালের মধ্যস্থতায় ধামগড় ইউনিয়নের জামায়াতের আমির জাকির হোসেনকে মাত্র দেড় লাখ টাকা বুঝিয়ে দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, ঠিকাদার আবু তাহের দীর্ঘ সময় কাজ না করে রাখেন এবং প্রায় দুই বছর পর স্থানীয়দের বহু দেনদরবারের পর দেড় লাখ টাকা বুঝিয়ে দেন।
এদিকে মালি ভিটা ঈদগাহের বর্তমান ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও ঈদগাহ কমিটির সভাপতি হাজী সফুর উদ্দিন নিজ উদ্যোগে একটি গার্ডওয়াল নির্মাণ করেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ঈদগাহের প্রথম দফার বালু ভরাট থেকে শুরু করে পরবর্তী বিভিন্ন কাজেও তিনি নিজ শ্রম ও অর্থ ব্যয় করেছেন।
স্থানীয়দের দাবি, সরকারি বরাদ্দের চার লাখ টাকা কোন খাতে, কীভাবে এবং কার মাধ্যমে ব্যয় হয়েছে—তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে গাইডওয়াল নির্মাণের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের বিপরীতে বাস্তবে কতটুকু কাজ হয়েছে, সে বিষয়েও তদন্ত হওয়া দরকার বলে মনে করছেন তারা।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর