1. admin@pratidinernarayanganj.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সোনারগাঁয়ে জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত, যুব ঋণের চেক ও পুরস্কার বিতরণ নতুন কুঁড়ি সৃজন ২: ধামগড় ইউনিয়নে শেখ জামাল উচ্চ বিদ্যালয় ও কামতাল হালুয়াপাড়া প্রাথমিকে বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত সোনারগাঁয়ের একমাত্র সরকারি কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয় নতুন কুঁড়ি সৃজন ২: ধামগড় ইউনিয়নে শেখ জামাল উচ্চ বিদ্যালয় ও কামতাল হালুয়াপাড়া প্রাথমিকে বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত বিশ্ব স্ট্রোক দিবস আজ: প্রতিটি মিনিট গুরুত্বপূর্ণ, দ্রুত চিকিৎসায় বাঁচতে পারে জীবন লগি-বৈঠার নির্যাতন ও হত্যার বিচারের দাবিতে মদনপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ সোনারগাঁয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ঘুমন্ত কিশোরীর গায়ে গরম পানি নিক্ষেপ করে হত্যাচেষ্টা ধামগড়ের মহজমপুর একতা যুবসংঙ্গ উদ্যোগে লক্ষীপূজা প্রধান অতিথি মোমেন ভূঁইয়া সভাপতি শফিকুল ইসলাম জমকালো আয়োজনে সোনারগাঁয়ে দৈনিক কালবেলার ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত ​ রাইজদিয়া ঈদগাহ ও কবরস্থানের পাশে ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের প্রতিবাদে মানববন্ধন

সোনারগাঁওয়ে গ্যাস বিল নিলেও মিলছে না গ্যাস এলাকাবাসীর ক্ষোভ

প্রতিদিনের নারায়নগঞ্জ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০২৪
  • ২৫০ বার পঠিত
Oplus_131072

 

নারায়ণগঞ্জ, স্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার কাঁচপুর ৫নং ওয়ার্ড উত্তর সেনপাড়া ও দক্ষিন সেনপাড়া এলাকায় প্রায় শতাধিক বৈধ গ্যাস সংযোগ থাকলেও মিলছেনা গ্যাসের দেখা। ওয়ার্ডটিতে প্রায় বিশ হাজার লোকের বসবাস। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, পরিবহন শ্রমিক, গার্মেন্টস শ্রমিক সহ অনেকে বছরের পর বছর গ্যাসের কষ্ট করে আসছে ঠিকমত রান্না করতে পারছেনা।
কিন্ত মাস শেষ হতে না হতে বিলের কাগজ ধরিয়ে দিচ্ছেন গ্রাহকদের।

এ বিষয়ে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলেও মিলছে না কোন পদক্ষেপ এলাকাবাসী তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের কাছে অতি দ্রুত গ্যাস সংযোগ ঠিক করে গ্যাসের সমস্যা দূর করেন।

সেনপাড়া এলাকার বাসিন্দা জাকির হোসেন জানান প্রতিদিনই রান্না করার জন্য রীতিমত যুদ্ধ করতে হচ্ছে

শুধু জাকির হোসেন নন, বতর্মানে সেনপাড়া এলাকার সকল বাসিন্দার অভিজ্ঞতা একই রকম। দিনের বড় একটি সময়  বাসা-বাড়িতে গ্যাস থাকছে না। এ সমস্যাটা সকাল থেকে সন্ধ্যা রাত পর্যন্ত থাকে। গভীর রাতে গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক হয়।

জাকির হোসেন বলেন, দিনের যে সময় চুলায় গ্যাসের দরকার পড়ে সে সময়েই গ্যাস থাকে না। সকাল ও দুপুরের খাবার রান্না করতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। রাতের দিকে একটু গ্যাস আসে। তাই দিয়ে কোনোমতে রান্না করে নিই। কিন্তু এভাবে কয়দিন চলবে সেটাই ভাবছি

গ্রাহকরা বলছেন, এমনিতেই বাজারে সব জিনিসের দাম বাড়তি। সেই তুলনায় আয় রোজগার বাড়েনি। মাসের শুরুতেই বেতনের টাকা শেষ হয়ে যায়। এ অবস্থায় লাইনের গ্যাস রেখে সিলিন্ডার ব্যবহার করায় বাড়তি চাপ পড়ছে। পাইপলাইনের গ্যাসের সরবরাহ ঠিক থাকলে সিলিন্ডারের বাড়তি খরচের বোঝা টানতে হতো না তাদের।

প্রতিমাসে গ্যাসের বিল দিতে হয়, কিন্তু গ্যাস থাকে না। দিনের যে সময়টায় আমাদের গ্যাস দরকার তখনই পাওয়া যায় না। না খেয়ে তো আর থাকা যাবে না, তাই বাধ্য হয়ে সিলিন্ডার কিনে রান্না করছি। গ্যাসের এই সংকটের ফলে বিপাকে পড়েছেন হোটেল-রেস্তোঁরার ব্যবসায়ীরাও। অনেক হোটেলেই পাইপলাইন গ্যাসের সংযোগ আছে, আবার অনেক হোটেলেই নেই। তবে এখন সবারই ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছে সিলিন্ডার গ্যাস।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও ফোন রিসিভ করেনি তিতাস কর্তৃপক্ষের কেউ।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর