1. admin@pratidinernarayanganj.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাচপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কাচপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ মাদক,ছিন্তাই,সন্ত্রাস,ঠেকাতে চেয়ারম্যানের কাছে সিসি ক্যামেরা চেয়ে আবেদন আহত সাংবাদিক সানাউল্লাহ মুন্সী দেখতে গেলেন ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ শফিকুল ইসলাম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাত গ্রেফতার, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার আড়াইহাজার থানা মসজিদ থেকে লুণ্ঠিত পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলি উদ্ধার  সোনারগাঁওয়ে জমি নিয়ে ২পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে নারীসহ ১০জন আহত সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলমান। সোনারগাঁয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত, ৫ শতাধিক অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, ২ টি প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা রূপগঞ্জে কায়েতপাড়ায় সরকারি রাস্তায় দেয়াল ও পিলার নির্মাণ: জনদুর্ভোগে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

সোনারগাঁওয়ে গ্যাস বিল নিলেও মিলছে না গ্যাস এলাকাবাসীর ক্ষোভ

প্রতিদিনের নারায়নগঞ্জ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০২৪
  • ২৩৭ বার পঠিত
Oplus_131072

 

নারায়ণগঞ্জ, স্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার কাঁচপুর ৫নং ওয়ার্ড উত্তর সেনপাড়া ও দক্ষিন সেনপাড়া এলাকায় প্রায় শতাধিক বৈধ গ্যাস সংযোগ থাকলেও মিলছেনা গ্যাসের দেখা। ওয়ার্ডটিতে প্রায় বিশ হাজার লোকের বসবাস। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, পরিবহন শ্রমিক, গার্মেন্টস শ্রমিক সহ অনেকে বছরের পর বছর গ্যাসের কষ্ট করে আসছে ঠিকমত রান্না করতে পারছেনা।
কিন্ত মাস শেষ হতে না হতে বিলের কাগজ ধরিয়ে দিচ্ছেন গ্রাহকদের।

এ বিষয়ে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলেও মিলছে না কোন পদক্ষেপ এলাকাবাসী তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের কাছে অতি দ্রুত গ্যাস সংযোগ ঠিক করে গ্যাসের সমস্যা দূর করেন।

সেনপাড়া এলাকার বাসিন্দা জাকির হোসেন জানান প্রতিদিনই রান্না করার জন্য রীতিমত যুদ্ধ করতে হচ্ছে

শুধু জাকির হোসেন নন, বতর্মানে সেনপাড়া এলাকার সকল বাসিন্দার অভিজ্ঞতা একই রকম। দিনের বড় একটি সময়  বাসা-বাড়িতে গ্যাস থাকছে না। এ সমস্যাটা সকাল থেকে সন্ধ্যা রাত পর্যন্ত থাকে। গভীর রাতে গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক হয়।

জাকির হোসেন বলেন, দিনের যে সময় চুলায় গ্যাসের দরকার পড়ে সে সময়েই গ্যাস থাকে না। সকাল ও দুপুরের খাবার রান্না করতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। রাতের দিকে একটু গ্যাস আসে। তাই দিয়ে কোনোমতে রান্না করে নিই। কিন্তু এভাবে কয়দিন চলবে সেটাই ভাবছি

গ্রাহকরা বলছেন, এমনিতেই বাজারে সব জিনিসের দাম বাড়তি। সেই তুলনায় আয় রোজগার বাড়েনি। মাসের শুরুতেই বেতনের টাকা শেষ হয়ে যায়। এ অবস্থায় লাইনের গ্যাস রেখে সিলিন্ডার ব্যবহার করায় বাড়তি চাপ পড়ছে। পাইপলাইনের গ্যাসের সরবরাহ ঠিক থাকলে সিলিন্ডারের বাড়তি খরচের বোঝা টানতে হতো না তাদের।

প্রতিমাসে গ্যাসের বিল দিতে হয়, কিন্তু গ্যাস থাকে না। দিনের যে সময়টায় আমাদের গ্যাস দরকার তখনই পাওয়া যায় না। না খেয়ে তো আর থাকা যাবে না, তাই বাধ্য হয়ে সিলিন্ডার কিনে রান্না করছি। গ্যাসের এই সংকটের ফলে বিপাকে পড়েছেন হোটেল-রেস্তোঁরার ব্যবসায়ীরাও। অনেক হোটেলেই পাইপলাইন গ্যাসের সংযোগ আছে, আবার অনেক হোটেলেই নেই। তবে এখন সবারই ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছে সিলিন্ডার গ্যাস।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও ফোন রিসিভ করেনি তিতাস কর্তৃপক্ষের কেউ।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর