
প্রতিদিনের নারায়ণগঞ্জ ডেস্ক
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় রাজনৈতিক বোমা ফাটাতে শুরু করেছেন নেটিজেনরা
কবি কাজী মনির পোষ্ট করে বলেন, সোনারগাঁ থেকে এমপি প্রার্থী হতে হলে? নামের আগে এডভোকেট, অধ্যাপক, ডক্টরেট, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ছাত্রনেতা, এইসব উপাধি থাকতে হবে।চেহারাতেও আভিজাত্যের ছাপ থাকতে হবে!
খন্দকার পনিরের কমেন্টের উত্তরে কাজী মনির বলেন, এটাই বাস্তবতা সোনারগাঁয়ের মানুষ নেতা হিসেবে সাধারণ ঘরের অশিক্ষিত নেতা পছন্দ করেনা।
তারা শিক্ষিত ও পারিবারিক বেগ্রাউন্ড দেখে ভোট দেয়। আর ভোট দিতে না পারলে তরকারি ব্যাপারীরা টাকার বিনিময়ে মেম্বার চেয়ারম্যান হয়।
সেই সুযোগ হয় তো আগামীতে থাকবেনা।
তাই আপনাদের মত শিক্ষিত মানবিক লোকদের নেতৃত্বে আহবান করবে।
এখন থেকেই জনকল্যাণমুখী কাজে এগিয়ে যান।
মানুষেই আপনাদের মতো লোক নেতৃত্বের জন্য খুঁজে বেরকরবে।
ধন্যবাদ ভ্রমন পিপাসু চারণ কবি ও সাংবাদিক খন্দকার পনিরকে।
খন্দকার পনির বলেন, আমাদের মতো মানুষের সমস্যা হলো চাটুকারিতা করতে পারি না, আবার সেটা সহ্যও করতে পারিনা। আর নেতৃত্বে আসলেই মানুষ একচোখে দেখে না বুঝে দালাল আর লোভি আখ্যা দেয় যে আমাদের মতো মানুষদের হজম করা কষ্টসাধ্য হয়ে যায়।
মোস্তাফিজ রহমান নামের একজন বলেন,
রাজনৈতিক ভাবে জেল-জুলুম নির্যাতনের স্বীকার জেল খেটেছেন নেতৃত্ব দিয়েছেন আঁতাত করে আপোষের রাজনীতি করেননি, নেতাকর্মীদের বিপদে রেখে লুকিয়ে থাকেন নি, দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের আগলে রেখেছেন এমন কাউকে এমপি দেখতে চাই। কর্মী সমর্থক জনগণের পাশে না থেকে এসি রুম যারা থেকেছে সুবিধামতো সময়ে রাজনীতি করতে এসেছে এমন নেতা চাই না। জনগণের দুঃখ কষ্ট যদি না বুঝে দলের কর্মীর সমর্থকদের যদি পাশে না থাকে ফুটফুটে সুন্দর জ্ঞানপাপী শিক্ষিত দিয়ে কি করবো?
আরেকজন বলেন,
হিরুআলম কয়দিন আগে সোনারগাঁ পরিদর্শনে আসছিল…..?
অন্য একজন বলেন,
সাংবাদিক, কবি, লেখক বাদ যাবে কেনো। হাঁটুর জোড় আছে যার নির্বাচনের অধিকার আছে তার।