
আব্দুল হান্নান সোনারগাঁও প্রাতিনিধি:-
বিশ্ব জাহানের প্রতিটি মুসলিম প্রানের হৃদয়ের স্পন্দন কুল কায়েনাতের সর্দার হযরত মুহাম্মদ (সা)।
যাকে আল্লাহ সম্মানিত করেছেন জমিন ও আসমানে। চড়েছেন বোরাক ও রফরফে নিয়েছেন আরশে । আল্লাহ তার বন্ধুর সম্মান যেমন সমুন্নত করেছেন তেমনি তার অপমানের দাঁতভাঙা জবাব দিয়েছেন সাথে সাথে, যেমন সূরা কাওসারে আল্লাহ বলেন :
নিশ্চয় তোমার প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারীই তো নির্বংশ।
اِنَّ شَانِئَكَ هُوَ الْاَبْتَر
আয়াত : ৩
আল্লাহ ও তার ফেরেস্তাকুল যেভাবে রাসূলের (সা) প্রতি দরূদ ও সালাম পেশ করেন ঠিক তেমনি তার বন্ধুর প্রতি দরূদ পাঠকের জন্য রেখেছেন অফুরন্ত সম্মান সাওয়াব।
রাসূল (ছাঃ)-এর প্রতি ছালাত (দরূদ) ও সালাম এক সাথে পেশ করা উত্তম। যেমনটি আল্লাহ নির্দেশ দিয়ে বলেন,إِنَّ اللهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّوْنَ عَلَى النَّبِيِّ يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوْا صَلُّوْا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوْا تَسْلِيْماً، ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তার ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি দরূদ প্রেরণ করেন। (অতএব) হে মুমিনগণ! তোমরা তার প্রতি দরূদ ও সালাম প্রেরণ কর’ (আহযাব ৩৩/৫৬)।
রাসূল (ছাঃ) বলেন,
أَتَانِيْ جِِبْرِيْلُ، فَقَالَ : يَا مُحَمَّدُ! أَمَا يُرْضِيْكَ أَنَّ رَبَّكَ عَزَّ وَجَلَّ يَقُوْلُ : إِنَّهُ لَا يُصَلِّي عَلَيْكَ مِنْ أُمَّتِكَ أَحَدٌ صَلَاةً، إِلاَّ صَلَّيْتُ عَلَيْهِ بِهَا عَشْرًا، وَلَا يُسَلِّمُ عَلَيْكَ أَحَدٌ مِنْ أُمَّتِكَ تَسْلِيْمَةً، إِلاَّ سَلَّمْتُ عَلَيْهِ عَشْراً، فَقُلْتُ : بَلَى، أَيْ رَبِّ!
‘জিব্রীল আমার নিকট এসে বললেন, হে মুহাম্মাদ! আপনি কি এ ব্যাপারে সন্তুষ্ট নন যে, আপনার প্রতিপালক বলেছেন, আপনার উম্মতের মধ্যে যে আপনার প্রতি দরূদ পাঠ করবে আমি তার উপর দশটি রহমত বর্ষণ করব। আর আপনার উম্মতের যে আপনার উপর সালাম পেশ করবে, আমি তার উপর দশ বার শান্তি বর্ষণ করব। আমি বললাম, হ্যাঁ অবশ্যই হে আমার রব’।
সুতরাং এক সাথে ছালাত ও সালম প্রদান করাই উত্তম। ফলে আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত ও শান্তি পাওয়া যায়। আর যার উপর আল্লাহ রহমত বর্ষণ করেন আল্লাহ তাকে অন্ধকার থেকে বের করে আলোর দিকে নিয়ে আসেন। আল্লাহ বলেন,هُوَ الَّذِيْ يُصَلِّيْ عَلَيْكُمْ وَمَلَائِكَتُهُ لِيُخْرِجَكُمْ مِّنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّوْرِ وَكَانَ بِالْمُؤْمِنِيْنَ رَحِيْماً- ‘তিনি তোমাদের প্রতি রহমত বর্ষণ করেন এবং তাঁর ফেরেশতারাও রহমতের দো‘আ করে তোমাদেরকে অন্ধকার হতে আলোর দিকে বের করে আনার জন্য। বস্ত্ততঃ আল্লাহ ঈমানদারগণের প্রতি অতীব দয়ালু’ (আহযাব ৩৩/৪৩)।
আব্দুল হান্নান
কামিল (হাদিস)
দারুন নাজাত কামিল মাদ্রাসা।