1. admin@pratidinernarayanganj.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সোনারগাঁয়ে জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত, যুব ঋণের চেক ও পুরস্কার বিতরণ নতুন কুঁড়ি সৃজন ২: ধামগড় ইউনিয়নে শেখ জামাল উচ্চ বিদ্যালয় ও কামতাল হালুয়াপাড়া প্রাথমিকে বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত সোনারগাঁয়ের একমাত্র সরকারি কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয় নতুন কুঁড়ি সৃজন ২: ধামগড় ইউনিয়নে শেখ জামাল উচ্চ বিদ্যালয় ও কামতাল হালুয়াপাড়া প্রাথমিকে বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত বিশ্ব স্ট্রোক দিবস আজ: প্রতিটি মিনিট গুরুত্বপূর্ণ, দ্রুত চিকিৎসায় বাঁচতে পারে জীবন লগি-বৈঠার নির্যাতন ও হত্যার বিচারের দাবিতে মদনপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ সোনারগাঁয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ঘুমন্ত কিশোরীর গায়ে গরম পানি নিক্ষেপ করে হত্যাচেষ্টা ধামগড়ের মহজমপুর একতা যুবসংঙ্গ উদ্যোগে লক্ষীপূজা প্রধান অতিথি মোমেন ভূঁইয়া সভাপতি শফিকুল ইসলাম জমকালো আয়োজনে সোনারগাঁয়ে দৈনিক কালবেলার ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত ​ রাইজদিয়া ঈদগাহ ও কবরস্থানের পাশে ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের প্রতিবাদে মানববন্ধন

সারাদেশে একযোগে পালিত হচ্ছে ভিটামিন  “এ প্লাস” ক্যাম্পেইন -২০২৬

প্রতিদিনের নারায়নগঞ্জ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬
  • ১৪৫ বার পঠিত

আব্দুল হান্নান, সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি।

দেশব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইন-২০২৬ অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ রবিবার (২৮ জুন)। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একযোগে পরিচালিত এ কর্মসূচিতে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ ৩৬ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায় আয়োজিত এ ক্যাম্পেইনে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি লাল রঙের উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

 

নির্ধারিত দিনে কোনো শিশু ক্যাপসুল গ্রহণ করতে না পারলে পরদিন সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে তা খাওয়ানো যাবে। এ ছাড়া দেশের ১২ জেলার ৫৮টি দুর্গম উপজেলায় আরও চার দিন বিশেষ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অভিভাবকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিকটস্থ কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।

জানা গেছে, শিশুদের অন্ধত্ব ও পুষ্টিহীনতা দূর করতে ১৯৭৩ সাল থেকে দেশে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়নো শুরু হয়। এটি তখন ‘জাতীয় রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম’ নামে পরিচিত ছিল। ১৯৯৫ সাল থেকে কার্যক্রমটিকে আরও শক্তিশালী করার জন্য জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির সাথে ভিটামিন এ কে সংযুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে ২০০৩ সাল থেকে এটিকে আলাদা একটি কর্মসূচি হিসেবে গ্রহণ করা হয় যার নাম দেওয়া হয় জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন, যা জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হতো।

২০১১ সাল থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় পুষ্টিসেবা বা এনএনএস অপারেশন প্ল্যানের অধীনে ২০২৫ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত পরিচালিত হয়ে আসছিল এবং পরে বন্ধ করে দেওয়া হয়। ২০২৬ সালে কার্যক্রম হিসেবে পুনরায় চালু করা হয়েছে। ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের দায়িত্বে আছে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান।

 

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর